
।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে দায়ের করা ওই মামলায় শিশুটির প্রকৃত বয়স গোপন রেখে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়। বিষয়টি আদালতের নজরে এলে সেখানে উপস্থিতদের মধ্যে বিস্ময় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
শিশুটির পরিবারের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে এবং বয়স বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অন্যায়। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আইনজীবী এডভোকেট শামীম উদ্দীন পিকে বলেন, “শিশুদের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী আলাদা প্রক্রিয়ায় বিচার হওয়া উচিত। একটি শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে মামলায় জড়ানো আইনের পরিপন্থী। বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে শিশু আইনের আওতায় সমাধান করা প্রয়োজন।”
সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।